ঈদ উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এবারের ঈদযাত্রায় উত্তরের পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও যানজট নেই। ফলে স্বস্তিতে আছেন যাত্রীরা। শুক্রবার (২৮ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কে বিভিন্নস্থানে যাত্রীরা বাসের অন্য অপেক্ষা করছেন। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। যানবাহনের চাপ বাড়লেও যানজটের দেখা মেলেনি। তবে অনেকে ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেলে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এদিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে ৬৫ কিলোমিটার যানজট নিরসনে পুলিশের সাড়ে ৭০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, ঈদযাত্রায় শুক্রবার মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকে বিভিন্ন পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ায় যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার রাত থেকে যানবাহনের চাপ বেড়েছে বেশি। আজ দুপুর পর আরও চাপ বাড়বে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ২২৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ২৪১টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ৪৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৪ হাজার ৯৮৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ ৬৭ হাজার ৫০ টাকা।বুধবারের চেয়ে বৃহস্পতিবার যমুনা সেতু দিয়ে ২ হাজার ২টি যানবাহন বেশি পারাপার হয়েছে। তবে টোল আদায়ের পরিমাণ কম হয়েছে। গত চারদিনে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৩৩৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১০ কোটি ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল বলেন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এরমধ্যে দুপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কে এখন পর্যন্ত কোনো যানজট তৈরি হয়নি। তবুও আমরা প্রস্তুত আছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন